আসলে আমার সবাই চিঠি লেখা ভুলতে বসেছি তাই আমি ঠিক করেছি আমরা যারা ব্লগে আসি তারা যদি একজন অন্যজনকে চিঠি লিখি তবে তা কেমন হয়। মানে যে কেউ যদি আমার কাছে চিঠি লেখে ( তা হোক কবিতা কিংবা গল্প বা সাধারণ) আমি তার প্রতি উত্তর দেবো…
যেমন
প্রথমেই আমি লিখছি
প্রিয় শব্দনীড়,
সময় করে আসা হয় না ঠিক কিন্তু
ভালোবাসার গভীরতা চোখে নয় হৃদয়ের গভীরে থেকে যায়
যে পদ্মপাতায় লুকিয়ে রেখে ছিলে জলছোঁয়া ভালোবাসা, সেখানে আজ
ভ্রমরের নেই আনাগোনা। শুধু পরিত্যাক্ত শীতলতা এখনো ঘুম পারিয়ে যায়।
তুমি হয়তো ভাবতে পারো এই বয়সে এ আবার কোন ধরনের পাগলামি
জেনে রাখো পাগলামি নয় এ আমার সুখ জ্যোৎস্নার স্বপ্ন।
হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়া মানুষকে সব সময় খুজে পাবার যে আনন্দ আছে তার সময় বিচারে কোন দিন কেউ এগিয়ে আসতে পারে না, তোমাকেই স্বাক্ষী মেনে তোমার কাছে লেখা এই চিঠি কিন্তু অমুলক নয়……..।
ভালো থেকো
ভালো থেকো সব্বাইকে সাথে নিয়ে
খেয়ালী…….
০৯/০৩/১৭
এখানে উল্লেখ করছি আপনারা যারা চিঠি লিখবেন তারা একটা ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন যেমন, চিঠি -১ ,চিঠি -২ এই ভাবে আর আমি উত্তর দেবো পত্র-১, পত্র-২ এই ভাবে।
তো শুরু হোক খেলা…
আজ প্রথমেই ধরে নিচ্ছি
আমাদের সবার প্রিয়
নাজনীন খলিল এর লেখা দিয়ে ( যদিও এটি করার জন্য আমি তার অনুমতি নেই নি, তবুও আমি মনে করি তিনি আমাকে ক্ষমা করবেন আমার ভুলের জন্য)
কাঠের ঘোড়া
চিঠি-১
আমারও যদি থাকতো একটা ‘টিন ড্রাম’ অস্কারের মতো! এমনকি প্রত্যেকটি মানুষেরই দরকার একটি টিনড্রাম অথবা ট্রাম্পেট জাতীয় কিছু একটা বাস্তবতার যাবতীয় অনাকাঙ্খিত কষাঘাত থেকে পালিয়ে বেড়ানোর জন্য।
থাকলে বেশ হতো। নেই। তাতে কি? আমারতো আছে একটি কাঠের ঘোড়া। যখন তখন পালিয়ে বেড়ানো যায় দেশ থেকে দেশান্তরে, তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে, সাত সাগরের তীর পেরিয়ে খেয়ালখুশীর বাড়িটিতে ঢুকে পড়া যায়। এটাই আমার আজীবনের সঙ্গী। আমার মুক্তি।
খট্ খটা খট্। বর্তমান থেকে অতীত, অতীত থেকে অনাগতের স্বপ্নে ঢুকতে একটুও দেরী হয়না। জানি একদিন আচমকা শুরু হবে ফুরিয়ে যাবার বেলা। ঘোড়া থেমে গেলেই শুরু হবে সেই চিরন্তনের খেলা। সেদিনটি কবে ? জানিনা।
কাঠের ঘোড়া
পত্র-১
প্রিয়
বাস্তবতার অনাকাঙ্খিত বিষয় গুলো সবার কাছে এক রকম নয় কারো কাছে যা সুখের অন্যের কাছে তার ভার বহন করা কষ্টকরও হতে পারে।
টিন ড্রাম বহন করার মত ক্ষমতাও কি সবার থাকে?
আসলে আমাদের জীবনটাই চাহিদার আকাশ, সুখ দুঃখ হাসি কান্না কোনটার কমতি হলেই কি চলে ? তবু ভালো তুমি তোমার কাঠের ঘোড়ায় চড়ে পালানোর নামে ঘুরে বেড়াতে পারো বিশ্বময়, সেটাই বা কম কিসে। তুমি পেরেছ আজীবনের একটা সঙ্গী খুজে নিতে, হোক সে স্থবির তবুও তো বিশ্বাস অর্জন করতে পেরেছে। খট খট খট করে আমি তো পারিনি বর্তমান থেকে অতীতে ফিরে যেতে আমি তো পারিনি আগামীর বিশ্বাস ধরে রাখতে। চিরন্তন জীবনের চিরন্তন খেলায় ঘোড়ার দাম হয়তো অনেক বেশী কিন্তু আমার ফুটো নৌকার থেকে বেশী না। রাজার রাজ্যসভাও একদিন সৈন্যের হাতে পরাজিত হতে পারে।
ভালো থেকো
ভালো থেকো নিজের মত করে।
খেয়ালী
০৯/০৩/২০১৭
আপনার কনসেপ্টটি আমার কাছে অসাধারণ ইউনিক মনে হয়েছে।
আয়োজনটি ধীরে ধীরে এগিয়ে নিয়ে গেলে খুবই জনপ্রিয় হবে বিষয়টি।
আমি এই পোস্টে আর একটু পরে আবার আসবো। আমি আর একটু ভাবতে চাই।
অনেক ধন্যবাদ
ঈখন good night!
কাল দুপুরে ভাল করে পড়ে দেখতে হবে, তখন মতামত জানাব। এতক্ষন সুখস্বপ্ন দেখতে থাকেন!
ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।

আমি সুখস্বপ্ন না জেগেস্বপ্ন পছন্দ করি কানর একমাত্র জেগে স্বপ্ন দেখাই বাস্তবে রূপদান সম্ভব।
ভালে থাকবেন, সাথে থাকবেন।
প্রিয়বরেষু খেয়ালী মন।
কেন লিখতে মন চায় !! উত্তর জানা নেই। যখন পথ পাই না খুঁজে, নির্বাণ খুঁজি লিখায়। কবিতা আমার অলিন্দ ও নিলয়। হয়কি- হয়না- খুঁজতে থাকে অনেকেই। আমি কথা বলি আমার চেতনায়, আমার ভাষায়, আমার কবিতায়। যদি কেউ শুনতে পায় সেই কথা, তবে- তারাই পড়বে আমার লিখা। সে যদি একজনও হয়।
আমি যেমন ছেড়েছি সব। … ছেড়েছি সব কিছু। তেমনি তুমিও ছেড়ে যাবে একদিন। যেতেই হবে তোমাকে। তারপর …। অনেকটা পথ অতিক্রান্ত হবে যখন, কোলাহল কিছু থামবে, বিশ্বাসের ভ্রান্তিবিলাস খসে পড়বে একে একে। শ্রাবণে কি, হাড়-হিম শীতে। একাকী শূন্যতার দিকে চেয়ে ধোঁয়াশার বুকে ভেসে উঠবে তোমার চোখে আমার মুখ।
তোমাকে যেতে হবেই। আরো অনেকটা পথ এগুতে হবে। যেমন আমাদের পূর্ব পুরুষদের চেয়ে অগ্রগামী এই আমি। অংশত এবং কিছুতো সত্য। প্রেমিক সজ্জন, বান্ধব- বান্ধবী। অভাব হবেনা নিত্য নতুন সহযোগীর। ঘিরে থাকবে ভরে থাকবে কদম্ব কামিনী। সেই সাথে Cristian Dior, Richi ও Gucci আরো কত কি।
ভালোবাসার কথা শোনাবে অনেকে, ভালোবাসবে না। মাথায় উঠাবে, পুজার ভান করবে, আছড়ে দেবে নানান প্রকার। ভালোবাসবে না।
তবু একজন মানুষ খুঁজি। সব সময় খুঁজি। খুঁজে খুঁজে মরি। আসরে, উৎসবে, আয়োজনে, সমাবেশে। এমনকি সান্ধ্যভ্রমণ ও প্রাতঃভ্রমণেও। খুঁজি শুধু একজন মানুষ। যার সংস্পর্শে নষ্ট হয়ে যাওয়া মূল্যবোধ ‘অরণ্যের’ মতো ফিরে পেতে পারি। মানুষের যা কিছু মর্যাদার যা কিছু অর্জন- পথ খুলে দিতে পারে যে নির্যাস। সেই সেই মানুষকে খুঁজি। কে দেবে আশ্বাস !! খুঁজে অহরহ। মুছে দিক সেই… এই ঘৃণা- অবিশ্বাস- সন্দেহ। পারস্পরিক ভেদ বিদ্বেষ। খোল- নলচে বদলে দেয় এমন মানুষ।
‘মৃত্যুই কেবল মৃত্যুই ধ্রুবসখা … যাতনা কেবল যাতনা সুচির সাথী।
অতএব কারো পথ চেয়ে লাভ নেই; বিরূপ বিশ্বে মানুষ নিয়ত একাকী।’
ইতি
আমি।
(পুরোনো চিঠি শেয়ার করলাম)
উ্ত্তর আসছে…..
এখন অনেক রাত্তির অয়ে গেছে। কাল পরশু ভীষণ বিজি। এর পর আপনার আইডিয়া কাজে লাগামু।
এখনকার মত খোদা হাফেজ। ভাল থাকুন। সুন্দর আইডিয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ভালোবাসা নিয়ে ভালো ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে আসুন, আমি অপেক্ষায় থাকবো নিশি প্রহর যমুনার জলে চোখ রেখে…..

আপনার আইডিয়াটি ইউনিক। চিঠিতো একপ্রকার হারিয়ে গেছে!!
তবে শুরু হোক নতুন করে। আমিও চেষ্টা করব।
ধন্যবাদ মালেক ভাই


আমিও আপনাকেও চাই আমার এই চিঠির বাস্কে,
আপনি আশাকরি সাথে থাকবেন ।
যে পদ্মপাতায় লুকিয়ে রেখে ছিলে জলছোঁয়া ভালোবাসা, সেখানে আজ
ভ্রমরের নেই আনাগোনা। শুধু পরিত্যাক্ত শীতলতা এখনো ঘুম পারিয়ে যায়।
তুমি হয়তো ভাবতে পারো এই বয়সে এ আবার কোন ধরনের পাগলামি
জেনে রাখো পাগলামি নয় এ আমার সুখ জ্যোৎস্নার স্বপ্ন।
ভাবনা গুলো অপূর্ব
প্রকাশ ভঙ্গিও দারুন মন কাড়া। ধন্যবাদ প্রিয়
ধন্যবাদ দাউদুল ভাই ,
আপনাকে দেখতে পেয়ে অনেক ভালো লাগছে।
শুভকামনা থাকলো
সেই সম্বোধনহীন চিঠি অনেকদিন পর আজ আবার লিখতে বসলাম তোমাকে। অসময়ের হঠাৎ বৃষ্টির এই সকালে টেবিলে ছড়িয়ে থাকা কাগজ কলমে চোখ পড়তেই মনে হল তোমাকে লিখি।
চারদিকে কেমন উদাস হাওয়ার ছুটাছুটি। ইট কাঠের শহরের উঁচু দালানের ফাঁকে দেখতে পাওয়া এক চিলতে আকাশের গায়ে কালো মেঘেদের উড়াউড়ি। তাকিয়ে থাকতে গিয়ে গুনগুন করি…
“মেঘ পিয়নের ব্যাগের ভেতর মন খারাপের দিস্তা
মন খারাপ হলে কুয়াশা হয়, ব্যাকুল হলে তিস্তা।”
মন খারাপ ভাব দূর করার জন্য কফি বানিয়ে আনলাম আর তোমাকে লিখতে বসলাম তাতে চুমুক দেয়ার ফাঁকে। তুমিতো জানোই তোমাকে লেখার সময়টুকু কতটা উপভোগ করি আমি।
চারপাশটা বড্ড অদ্ভুত লাগে, জানো? এই যে দেখ আমার বারান্দায় টবের গাছের নতুন গজানো পাতাগুলো এই অপ্রত্যাশিত বৃষ্টিতে ভিজে কেমন আনন্দে ঝলমল করছে। অথচ ঠিক তার উপরে কার্নিশে বসা একটা আধভেজা চড়ুইপাখি জড়সড় হয়ে বৃষ্টি থামার অপেক্ষায় আছে। একটা রোদ ঝলমল দিনের অপেক্ষায় আছে।
“মেঘের দেশে রোদের বাড়ী পাহাড় কিনারায়
যদি মেঘ পিয়নের ডাকে সেই ছায়ার হদিস থাকে
রোদের ফালি তাকিয়ে থাকে আকুল আকাঙ্খায়
কবে মেঘের পিঠে আসবে খবর বাড়ীর বারান্দায়, ছোট্ট বাগানটায়।”
আমি কিসের অপেক্ষায় আছি বলতে পারো?
ভাল থেক।
নীল।
(দ্বিতীয় চিঠিটা আমিই লিখে ফেললাম এলোমেলো শব্দে!)
আনেক সুন্দর করে লিখেছেন ।
আমি উত্তর দিতে চেষ্টা করেছি দেখবেন প্লিজ।
ধন্যবাদ এবশ শুভ কামনা।