জীবনের গল্প-২২ এর শেষাংশ: চিঠিতে জানিয়ে দিলাম, আমি মঙ্গল মতো কলিকাতা পৌঁছেছি। চিঠি পাঠালাম এই কারণে যে, আমার জন্য যেন কোনও প্রকার চিন্তা না করে, তাই। তারপর ঘুরেফিরে কেটে গেল আরও বেশকিছু দিন। আমার চিন্তাও বাড়তে লাগল।
এখন আর কিছুই ভালো লাগছে না। চার-পাঁচদিন পর একদিন সকালবেলা কানাই বলল, ‘চল দুইজনে টাউনে গিয়ে ঘুরে আসি।’ আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘কোথায় যাবি?’ কানাই বলল, ‘আজ তোকে মেট্রো ট্রেনে চড়াব। আর সময় পেলে হাওড়া, তারামণ্ডলও দেখাবো।’
এ তো খুশির খবর! কিন্তু খুশির বদলে আমার কান্না আসতে লাগল। চিন্তা শুধু একটাই, তা হলো এখানে আসলাম বেশ কিছুদিন হয়ে গেল। অথচ কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না, হচ্ছে শুধু টাকা খরচ। এভাবে ঘুরে বেড়ালে কি হবে? আমার তো কিছু একটা করতে হবে। ভাবছি, কানাইর সাথে যাব কি যাব না! না গেলেও হয় না। শেষমেশ জামাকাপড় পড়ে কানাইর সাথে বের হলাম।
কানাইর বাসা থেকে একটা রিকশায় চড়ে গেলাম ধর্মতলা। এই ধর্মতলায় কোলকাতা শহরের বড় একটি বাসস্ট্যান্ডও আছে। আছে কোলকাতার বিভিন্ন জায়গায় যাওয়ার ট্রাম ও বাস সার্ভিস। রিকশা থেকে নেমে একটা চা দোকানে গিয়ে চা-বিস্কুট খেলাম। দোকান থেকে বের হয়ে ফুটপাতের দোকান থেকে সিগারেট কিনলাম। আমি সিগারেট জ্বালিয়ে টানছি আর হাঁটছি। এদিক-ওদিক তাকিয়ে-তাকিয়ে দেখছি। একসময় একটা রাস্তার ফুটপাত দিয়ে হাঁটছি দুইজনে। দুইটা দোকানের মাঝখানে মাটির নিচে যাওয়ার জন্য অনেক চওড়া জায়গা। নিচে যাওয়ার সুন্দর সিঁড়িও আছে। কানাইকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘নিচে কী?’ কানাই বলল, ‘এটি হচ্ছে কোলকাতা শহরের ভূগর্ভস্থ পাতাল রেলস্টেশন। যাকে বলে পাতাল রেল বা মেট্রো ট্রেন। তাই অনেকে বলে, মেট্রো ট্রেনস্টেশন।’ আমি বললাম, ‘তা হলে আমরা কি এখন এই স্টেশনেই যাচ্ছি?’ কানাই বলল, ‘হ্যাঁ, তোকে তো বাসা থেকে বাইর হবার আগেই বলেছি। চল এখন নিচে স্টেশনের ভেতরে। গেলেই বুঝতে পারবি, পাতাল রেল কাকে বলে!’ সিঁড়ি বেয়ে নিচে গেলাম। স্টেশনের ভেতরকার সৌন্দর্য দেখে অবাকও হলাম!
এই মেট্রো ট্রেন হলো, পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কোলকাতা পরিবহণ সেবার মধ্যে একটি। এটির পরিসেবা কোলকাতা শহরের পার্শ্ববর্তী উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পর্যন্ত। দ্রুত পরিবহন সেবা প্রদানকারী পরিবহণ ব্যবস্থাও বলা যায়। জানা যায়, কোলকাতা মেট্রো ট্রেনের পথ ২৭.২২ কিলোমিটার। এই ২৭.২২ কিলোমিটার পথে ২৩টি মেট্রো স্টেশন রয়েছে। যার মধ্যে ১৫টি স্টেশন ভূগর্ভস্থ আর বাদবাকিগুলো ভূতলস্থ এবং উড়াল; এই তিন প্রকারেই স্টেশনই রয়েছে। এই পরিবহন সেবা চালু হয়েছিল ১৯৮৪ সালে এবং এটিই ভারতের প্রথম মেট্রো রেল পরিসেবা। এরকম পাতাল রেল সার্ভিস নাকি ভারতের রাজধানী দিল্লিতেও আছে।
আমরা দু’জন নিচের দিকে নামছি, যত নিচে যাচ্ছি ততই সুন্দর। ঝকঝকা আলো আর লোকে লোকারণ্য। স্টেশনের ভেতরে গার্ডের সাথে পুলিশও আছে। তাদের ডিউটি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখা। কে কী করছে, কোথায় যাচ্ছে এগুলো ফলো করা। মূল স্টেশনে প্রবেশ করতে হলে, চাই টিকিট। কম্পিউটারে টিকিট শো করলেই গেইট খুলবে, যাত্রী প্রবেশ করবে। এ ছাড়া আর প্রবেশ করার মতো কারোর সাধ্য নেই। কানাই কাউন্টার থেকে দুটা টিকিট কিনে আনল। আমরা যাব, ধর্মতলা থেকে টালিগঞ্জ। টিকিটের দাম নিল, ৫ টাকা করে ১০ টাকা। দুটো টিকিটই একসাথে, মানে একটা টিকিট। টিকিটের গায়ে লেখা আছে টু ম্যান। ট্রেন আসার সময় হয়েছে। হুইসেল শোনা যাচ্ছে। কানাই বলল, ‘শিগগির আয়।’
আমরা কম্পিউটার সিস্টেম গেইটের সামনে গেলাম। কানাই গেইটের পাশে থাকা বক্সে টিকিট ঢুকাল। টিকিটখানা শোঁ করে বক্সের পেছনে চলে গেল। আমরা গেইট পার হলাম, টিকিটখানা হাতে নিলাম। গেইটখানা ধরে আমি একটু ট্রাই করে দেখলাম! গেইট আর একটুও নড়ে-চড়ে না। টিকিটের গায়ে দুইজন লেখা। ঠিক দুইজন পার হওয়ার পরই গেইট বন্ধ। ট্রেন স্টেশনে এসে থামল। যাত্রিরা ট্রেন থেকে নামল। আমরা ট্রেনে ওঠার জন্য রেডি হয়ে সামনেই দাঁড়িয়ে আছি।
ট্রেন থেকে মাইকে বলছে, ‘টালিগঞ্জ যাওয়ার যাত্রিগণ ট্রেনে ওঠে আসন গ্রহণ করুন।’ আমরা-সহ সব যাত্রী ট্রেনে ওঠে সিটে বসার পর ট্রেন থেকে আবার মাইকিং। বলা হচ্ছে, ‘যাত্রীদের অবগতির জন্য বলা হচ্ছে যে, আপনারা ট্রেনের দরজা ও জানালা থেকে দূরে থাকুন।’
এর পরপরই ট্রেনের সব দরজা ও জানালা একসাথে শোঁ করে লেগে গেল! বুঝলাম, দরজার সামনে যদি কেউ দাঁড়ানো থাকত, তা হলে মৃত্যু অনিবার্য। তাই আগে থেকেই যাত্রিদের হুশিয়ার করে দেওয়া হয়, যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে। ট্রেন ছুটল দ্রুতগতিতে! জানালা দিয়ে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। ট্রেন যাচ্ছে মাটির নিচ দিয়ে। কিছু দেখা যাবে কী করে? শুধু একটু শব্দ শোনা যাচ্ছে, শোঁ শোঁ শব্দ। ১০ মিনিটের মতো বসে থাকার পর আবার মাইকিং। বলা হচ্ছে, ‘আমরা টালিগঞ্জ পৌঁছে গেছি! ট্রেন থেকে নামার জন্য প্রস্তুত হোন।’
কানাই বসা থেকে ওঠে দাঁড়াল, সাথে আমিও ওঠলাম। ট্রেন থামল। ট্রেন থেকে আমরা নেমে স্টেশনের বাইরে আসলাম। কিছুক্ষণ ঘুরেফিরে চা-বিস্কুট খেয়ে তৈরি হলাম, ধর্মতলা আসার জন্য। এবার ট্রামে চড়ে আসব ধর্মতলা। ট্রাম দেখা হবে আর চড়াও হবে। দেখাম ট্রাম! ট্রামে চড়লামও।
ট্রাম হলো কোলকাতা শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন ব্যবস্থা। এটি এ দেশের প্রথম ও একমাত্র পরিসেবা প্রদানকারী ট্রাম। জানা যায়, এটি এশিয়ার প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রাম পরিবহন ব্যবস্থা। এই ট্রাম পরিসেবা প্রথম চালু হয়েছিল, ১৮৭৩ সালে। শোনা যায়, প্রথমে ঘোড়ার সাহায্যে না-কি ট্রাম চালানো হতো। এই ট্রাম কিন্তু ঝুলন্ত ট্রাম নয়! এ হলো রোড ট্রাম। যা বাস রোডের পাশ দিয়ে চলে। এই ট্রামের চলার রাস্তা হলো রেললাইন। ট্রাম দেখতে হুবহু রেলগাড়ির মতনই। তবে ট্রেনের মতো এত চওড়া নয়, সামান্য চিকন। বগি থাকে দুইটি, ড্রাইভার একজন। কন্ট্রাক্টর একজন। এক বগি থেকে অন্য বগিতে যাওয়া যায়। যাত্রী যেখানে খুশি, সেখানেই ওঠানামা করতে পারে। এই রোড ট্রামও চলে বিদ্যুতের সাহায্যে। তবে চলে আস্তে-আস্তে।
ট্রামে চড়ে আসলাম ধর্মতলা। এবার যাব রানী ভিক্টোরিয়া পার্কে। এই ভিক্টোরিয়া পার্কটি ছিল যুক্তরাজ্য ও ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের রাণীর নামে। রানী ভিক্টোরিয়া ১ মে ১৮৭৬ সালে ভারত সম্রাজ্ঞী উপাধি ধারণ করেন। তার স্মৃতিকে ধরে রাখতেই, তার নামে ‘রানী ভিক্টোরিয়া’ পার্ক নির্মাণ করেন ভারত সরকার। পার্কটি খুবই সুন্দর! পার্কের মাঝখানে আছে রানী ভিক্টোরিয়া ভাস্কর্য। প্রতিদিন বিকালবেলা এই পার্কটিতে থাকে লোকে লোকারণ্য। পার্কের গেটের সামনে বসে হরেকরকমের দোকান। যেন আমাদের দেশের এক বৈশাখী মেলার মতো। দেখলাম ভিক্টোরিয়া পার্ক। রানী ভিক্টোরিয়া পার্ক থেকে বাইর হলাম সন্ধ্যার একটু আগে। এ দিন তারামণ্ডল দেখার আর সুযোগ হল না। চলে এলাম কানাইর বাসায়। কানাই বলল, ‘আজ যখন তারামণ্ডল দেখা হল না, তা হলে আগামীকাল দেখব।’
রাতের খাবার খেয়ে দুইজনে শুয়ে রইলাম। পরদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠলাম। তখন মনে হয় বেলা ১০ টার মতো বাজে। ঝটপট দুইজনে স্নান করে খাওয়া-দাওয়া করলাম। দিনটি ছিল রবিবার। ভারতের সাপ্তাহিক ছুটির দিন। তাড়াতাড়ি না গেলে, তারামণ্ডল আজও দেখা হবে না। কারণ, ছুটির দিনে তারামণ্ডলে লোক অনেক বেশি হয়। কানাই আমাকে নিয়ে বের হলো তারামণ্ডল দেখানোর জন্য। এটি হলো দক্ষিণ কোলকাতার জওহরলাল নেহেরু রোডে। এর পাশে আছে, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল। এটি হলো মহাকাশচর্চা কেন্দ্র ও প্ল্যানেটরিয়াম জাদুঘর। নাম রাখা হয়েছে, এমপি বিড়লা তারামণ্ডল। এই তারামণ্ডলটি সাঁচীর বৌদ্ধ স্তুপের আদলে নির্মিত, একটি একতলা ভবনে অবস্থিত। শোনা যায়, এই প্ল্যানেটরিয়ামটি এশিয়ার বৃহত্তম প্ল্যানেটরিয়াম। এটি ছাড়াও নাকি ভারতে আরও দুটি তারামণ্ডল আছে। একটি চেন্নাইতে, অপরটি হায়দ্রাবাদে অবস্থিত।
আমি যখন ভারতে গিয়েছিলাম, তখন তারামণ্ডলের ভেতরে যাওয়া বাবদ প্রবেশ মূলা ছিল ২টাকা। তারামণ্ডলের ভেতরে গেলাম। দেখলাম তারামণ্ডল। ভেতরে যাবার পর আমার মনে হচ্ছিল যে, আমি যেন মহাকাশে ভাসমান অবস্থায় আছি! ইউটিউবে বা টিভিতে যেভাবে মহাকাশের দৃশ্য দেখি, ঠিক সেই ভাবেই দেখছি!
তারামণ্ডল থেকে বাইর হলাম দুপুরবেলা। দুপুরের খাবারের সময় হওয়াতে গেলাম এক হোটেলে। ভাত মাছ আর মুগের ডাউল দিয়ে পেট ভরে ভাত খেলাম। দুইজনের খাবারের বিল হলো, ৩০ টাকা। হোটেল থেকে বাইর হয়ে আমি কানাইকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘এবার কোথায় যাবি?’ কানাই বলল, ‘জীবনে তো হাওড়া ব্রিজের অনেক কেচ্ছা-গিবত শুনেছিস! এবার বাস্তবে দেখে যা।’ বললাম, ‘চল, হাওড়া ব্রিজটা দেখি!’
সেখান থেকে ট্রামে চড়ে গেলাম, হাওড়া। হাওড়া ব্রিজের সামনে যাচ্ছি পায়ে হেঁটে। ব্রিজে ওঠতেই আমার চোখে পড়ল, ব্রিজে লাগানো একটা সাইনবোর্ডের দিকে। সাইনবের্ডের লেখা আছে, এই ব্রিজটির নির্মাণকাল ও কিছু নির্দেশনা। ব্রিজটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব রক্ষার জন্যও জনগণের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে।
জানা যায়, হাওড়া ব্রিজটি উনিশ শতকের অন্যতম নিদর্শনের একটি। এটি হুগলি নদীর উপর অবস্থিত। এটি কোলকাতা ও হুগলি শহরের মধ্যে সংযোগরক্ষাকারী সেতু। এই হাওড়া ব্রিজ ছাড়াও হুগলি নদির উপর আরও ব্রিজ আছে। সেগুলির মধ্যে এই হাওড়া ব্রিজ হলো অন্যতম। এটি এশিয়া মহাদেশের মধ্যে একমাত্র ভাসমান সেতু। ব্রিজটি সম্পূর্ণ লোহার এঙ্গেল ও নাট-বল্টু দ্বারা তৈরি। এর মাঝখানে কোনও পিলার বা খুঁটি নাই। দেখে মনে হয় এটি যেন মাধ্যাকর্ষণের শক্তিতে ঝুলেছে। ব্রিজটি নির্মাণের পর একবার এক স্টিমারের নোঙর ছিঁড়ে ব্রিজের সাথে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে ব্রিজটির মাঝখানের বেশকিছু অংশ বিধ্বস্ত হয়। এরপর ১৯৭৪ সালে ব্রিজটি পুনঃনির্মাণ করে যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
এই হাওড়া ব্রিজটির বিজ্ঞপ্তি নোটিশে লেখা আছে, ব্রিজটি ১,৫২৮ ফুট দীর্ঘ। এর প্রশস্ত লেখা না থাকলেও বোঝা যায়, ব্রিজটি প্রশস্ত ৫০ থেকে ৬০ ফুট হবে। ব্রিজটির মাঝখানে আছে যানবাহন চলাচলের জায়গা। দুই পাশে মানুষ চলাচলের জন্য ৬ থেকে ৭ ফুট প্রশস্ত রাস্তা। আমি কানাইর সাথে যখন ভারত গিয়েছিলাম তখন ১৪০০ বঙ্গাব্দ, ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ। দেখলাম ব্রজিটিতে তখন কোনও ভারি যানবাহন চলাচল করে না। এর মূল কারণ হল, ব্রিজটি মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে তাই। এটি কোনও একসময় বিধ্বস্ত হয়ে যাবে বলে ভারতের বড় বড় প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ারদের ধারণা। তাই ভারত সরকার ব্রিজটির পাশে আরেকটি ব্রিজ তৈরি করে রাখে। সেই ব্রিজটি ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের নামে নামকরণ করে রাখা হয়, বিদ্যাসাগর সেতু। হাওড়া ব্রিজ থেকে একটু ডানদিকে তাকালেই বিদ্যাসাগর সেতুটি দেখা যায়। কানাই বলল, ‘তোকে যদি রাতের বেলা এখানে আনতে পারতাম, তাহলে আরও ভালো লাগত। এখানে দাঁড়িয়ে বিদ্যাসাগর সেতু যেভাবে দেখছিস, রাতে আরও সুন্দর দেখায়। তখন মনে হয় না যে, আমরা ভারত আছি। মনে হয় ইউরোপের কোনও এক শহরে দাঁড়িয়ে আছি!’
দেখলাম হাওড়া ব্রিজ! পায়ে হেঁটে গেলাম ওপারে, আবার আসলামও পায়ে হেঁটে। তখন সূর্যটা ঢুববে ঢুববে মনে হচ্ছিল। ভাবছিলাম, আরেকটু দেরী করে রাতের সৌন্দর্যটা উপভোগ করি। কিন্তু তা আর হল না কানাইর জন্য। ও আমাকে সিনেমা দেখাবে, তাই তাড়াতাড়ি করে ট্রামে ওঠল। যাবে টালিগঞ্জ। সেখানে গিয়ে শাহরুখ খান অভিনীত “বাজিগার” ছায়াছবি দেখাবে।
চলবে…
ভীষণ ভালো লাগলো।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি, দাদা। শুভকামনা থাকলো।
ভারত ভ্রমণের ধারাবাহিকটি আমি ভীষণ উপভোগ করছি। ধন্যবাদ আপনাকে শব্দনীড়ে শেয়ার করবার জন্য। বেশ কিছু দিন অনলাইন থেকে দূরে আছেন, আশা করবো ভালো ছিলেন। ভালো না থাকলেও মঙ্গল কামনা করবো প্রিয় লিখক।
হ্যাঁ দাদা, ইদানীং নিজের সাংসারিক ঝামেলা পোহাচ্ছি। আশা করি এই ঝামেলা চিরস্থায়ী হবে না। কিছুদিনের মধ্যেই আমি ঝামেলা মুক্ত হবো। আশীর্বাদ প্রার্থী!