শ্রী শ্রী ঠাকুরের জীবনী ও বানী (নবম পরিচ্ছেদ)
সংগ্রহ ও সম্পাদনা- লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী
যুগ পুরুষোত্তম শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র
শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের জীবনী
শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকুলচন্দ্র
জন্ম তাং: বাংলা ১২৯৫ সনের ৩০ ভাদ্র।(১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দ)
Sri Sri Thakur’s ideology is captured in his literature. His scholarly devotees like Krishna Prasanna Bhattacharya, Sushil Chandra Basu, Panchanan Sarkar, Khalilur Rehman, Prafulla Kumar Das, Ashwini Kumar Biswas, Devi Prasad Mukhopadhyay and some more got engaged into creating literature on Sri Sri Thakur’s personality and ideology. Large number of volumes in various languages have been written and published on the subject of Sri Sri Thakur and his sayings. All these books are on philosophy of Sri Sri Thakur, containing ways and means for the humanity for all time to come.
By the cruel turn of time, came 27th January 1969. Early morning at 04 hours 55 minutes, Sri Sri Thakur, the prophet for the age, took departure from this world of his creation. The prophet of the age, having accomplished his mission, laying the foundation of his movement, relapsed to his cosmic form, into the domain of eternity. Two years after that fateful day, on 10th May 1971, most respectful, image of Laxmi, Sarasibala breathed her last. A glorious chapter in the history of divine play on the earth came to an end.
What remained however is the undying print of his ideology. That ideology lays down the path for the humanity. Sri Sri Thakur remains with his devotees and provide the support and guidance, as he used to do when he was alive on the earth. In his current form, Sri Sri Thakur remains invisible, but not inaccessible and is always responsive. He said, ‘I have given everything in black and white, in prose and verse. I wish, people can talk to me, even when I won’t be there’. He expressed desire from his devotees, by saying, ‘you all are my limbs. I like to move around everywhere through you all.’
World after Thakur’s incarnation waits good time. Good time will come when people follow Sri Sri Thakur’s principles, with sincerity and devotion. The incarnate of the age descended on the earth to share and shift our agony. He besought uninterrupted adherence and undiluted devotion from us. He wanted to remain alive through us. As devotees, our peace lies in his pleasure. It will be our continuous pursuit to be up to his expectation.
Adorations to fulfiller the Best.
Let us think, behold and bowdown at His feet and follow Him with hearty adherence, allegiance and active service, installing Him in the throne of existential uphold and propitious immortal nectar of life.
stay with me always. Keep beside you.
Joyguru!
শ্রী শ্রী ঠাকুরের সত্যানুসরণ গ্রন্থ থেকে পাঠ
কাজ করে যাও কিন্তু আবদ্ধ হয়ো না। যদি বিষয়ের পরিবর্তনে তোমার হৃদয়ে পরিবর্তন আসছে বুঝতে পার, আর সে পরিবর্তনগুলো তোমার বাঞ্চনীয় নয়, তবে ঠিক জেনো তুমি আবদ্ধ হয়েছ। কোন প্রকার সংস্কারে আবদ্ধ থেকো না, একমাত্র পরমপুরুষের সংস্কার ছাড়া যা কিছু সবই বন্ধন।
তোমার দর্শনের-জ্ঞানের পাল্লা যতটুকু অদৃষ্ট ঠিক তারই আগে; দেখতে পাচ্ছ না জানতে পাচ্ছ না, তাই অদৃষ্ট।
তোমার শয়তান অহংকারী আহম্মক আমিটাকে বের করে দাও; পরমপিতার ইচ্ছায় তুমি চল, অদৃষ্ট কিছুই করতে পারবে না। পরমপিতার ইচ্ছাই অদৃষ্ট।
তোমার সব অবস্থার ভিতর তার মঙ্গল-ইচ্ছা বুঝতে চেষ্টা কর, দেখবে কাতর হবে না, বরং হৃদয়ে সফলতা আসবে।, দুঃখেও আনন্দ পাবে।
কাজ করে যাও , অদৃষ্ট ভেবে ভেঙ্গে পড় না; আলসে হয়ো না, যেমন কাজ করবে তোমার অদৃষ্ট তেমনি হয়ে দৃষ্ট হবেন। সৎকর্মীর কখনও অকল্যান হয় না। একদিন আগে আর পাছে।
পরমপিতার দিকে তাকিয়ে কাজ করে যাও। তাঁর ইচ্ছাই অদৃষ্ট; তা ছাড়া আর-একটা অদৃষ্ট-ফদৃষ্ট বানিয়ে বেকুব হয়ে বসে থেকো না। অনেক লোক অদৃষ্ট নেই বলে হাল ছেড়ে দিয়ে বসে থাকে, অথচ নির্ভরতাও নেই , শেষে সারা জীবন দুর্দ্দশায় কাটায়, ওসব আহম্মকী।
তোমার তুমি গেলেই অদৃষ্ট ফুরুলো, দর্শনও নাই অদৃষ্টও নাই।
**********
এগিয়ে যাও, কিন্তু মেপে দেখতে যেও না কতদুর এগিয়েছ; তাহলে আবার পিছিয়ে পড়বে।
অনুভব কর, কিন্তু অভিভূত হয়ে পড় না, তাহলে চলতে পারবে না। যদি অভিভূত হতে হয় তো ঈশ্বরপ্রেমে।
যত পার সেবা কর, কিন্তু হুকুম করতে যেও না।
কখনও নিন্দা কর না, কিন্তু অসত্যের প্রশ্রয় দিও না।
ধীর হও, তাই বলে আলসে দীর্ঘসূত্রী হয়ে পড় না।
ক্ষিপ্র হও, কিন্তু অধীর হয়ে বিরক্তিকে ডেকে এনে সব নষ্ট করে ফেল না।
বীর হও, কিন্তু হিংস্রক হয়ে বাঘ ভাল্লুক সেজে বস না।
স্থিরপ্রতিজ্ঞ হও, গোঁয়ার হয়ো না।
তুমি নিজে সহ্য কর , কিন্তু যে পারে না তাকে সাহায্য কর, ঘৃণা করো না, সহানুভূতি দেখাও, সাহস দাও।
নিজেকে নিজে প্রশংসা দিতে কৃপন সাজ, কিন্তু অপরের বেলায় দাতা হও।
যার উপর ক্রুদ্ধ হয়েছ, আগে তাকে আলিঙ্গন কর, নিজ বাটিতে ভোজনের নিমন্ত্রন কর, ডালা পাঠাও, এবং হৃদয় খুলে বাক্যালাপ না-করা পর্যন্ত অনুতাপের সহিত তার মঙ্গলের জন্য পরমপিতার কাছে প্রার্থনা কর; কেন না, বিদ্বেষ এলেই ক্রমে তুমি সংকীর্ণ হয়ে পড়বে, আর সংকীর্নতাই পাপ।
যদি কেহ তোমার কখনও অন্যায় করে, আর একান্তই তার প্রতিশোধ নিতে হয় , তবে তুমি তার সংগে এমন ব্যবহার কর যাতে সে অনুতপ্ত হয়; এমনতর প্রতিশোধ আর নেই-অনুতাপ তুষানল। তাতে উভয়েরই মঙ্গল।
বন্ধুত্ব খারিজ করো না, তাহলে শাস্তিতে সমবেদনা ও সান্ত্বনা পাবে না।
তোমার বন্ধু যদি অসৎও হয় , তাকে ত্যাগ করো না, বরং প্রয়োজন হলে তার সঙ্গ বন্ধ কর, কিন্তু অন্তরে শ্রদ্ধা রেখে বিপদে-আপদে কায়মনোবাক্যে সাহায্য কর, আর অনুতপ্ত হলে আলিংগন কর।
তোমার বন্ধু যদি কু-পথে যায়, আর তুমি যদি তাকে ফিরাতে চেষ্টা না কর বা ত্যাগ কর, তার শাস্তি তোমাকেও ত্যাগ করবে না।
বন্ধুর কুৎসা রটিও না বা কোনও প্রকারে অন্যের কাছে নিন্দা করো না; কিন্তু তাই বলে তার নিকট তার কোন মন্দের প্রশ্রয় দিও না।
বন্ধুর নিকট উদ্ধত হয়ো না, কিন্তু প্রেমের সহিত অভিমানে তাকে শাসন কর।
বন্ধুর নিকট কিছু প্রত্যাশা রেখো না, কিন্তু যা পাও, প্রেমের সহিত গ্রহন করো। কিছু দিলে পাওয়ার আশা রেখো না, কিন্তু কিছু পেলে দেওয়ার চেষ্টা করো।
**********
শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকুলচন্দ্র এর জীবন এবং বাণী শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
সুন্দর মন্তব্যে আপ্লুত হলাম। আপনাকে সশ্রদ্ধ চিত্তে অভিবাদন করি। সবাইকে জানাই পবিত্রতম ঈদের শুভেচ্ছা।
এবার আমার পরবর্তী বিভাগ “ভারত সূর্য ডুবে গেল হায়!” পর্বে পর্বে প্রকাশ দেওয়ার আশা রাখি। অনুরোধটি অনুমোদিত হলে সকলের সহযোগিতা ও আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে নতুন বিভাগটি আগামী দিন থেকে নিয়মিত ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হবে। শেষাংশে সংযোজিত করা হবে ভারতের শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার জীবন আলেখ্য গীতি নাটকের কয়েকটি দৃশ্যায়ন।সাথে থাকুন, পাশে রাখুন। জয়গুরু!
গুরুর শ্রীচরণে শতকোটি ভক্তিপূর্ণ নমস্কার।
শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে কবি।
প্রণাম ঠাকুর।
শুভেচ্ছা।